> জন্ম ও মৃত্যুর ভুয়ো সার্টিফিকেট এড়াতে নথির রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে এবার নতুন নিয়ম চালু করল রাজ্য সরকার।
মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরেই নয়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল স্বাস্থ্য দপ্তর। রেজিস্ট্রেশন অফ বার্থ এন্ড ডেথ অ্যামেন্ডমেন্ট রুল, ২০২৬ জারি করে গেজেট নোটিফিকেশন দেওয়া হয়েছে।
1) সংশোধনী নিয়ম অনুযায়ী, এই সংক্রান্ত ফর্ম ফিল-আপের ক্ষেত্রে কোনওভাবেই নামের কোনও সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা যাবে না।
2) ঠিকানার ক্ষেত্রে উল্লেখ থাকতেই হবে রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নাম। জেলা, শহর বা গ্রাম, ওয়ার্ড নম্বর, এলাকা, বাড়ির নম্বর, পিন কোড।
3) ডেথ সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে অসুস্থতার ইতিহাস উল্লেখ করতে হবে ফর্মে।
4) দেরিতে জন্ম বা মৃত্যুর নথিভুক্তির নিয়মেও কড়াকড়ি করা হয়েছে। ৩০ দিন পরে আবেদন করলে তার কারণ, নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের অনুমতি, প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
5) কোনও জন্ম বা মৃত্যুর তথ্য যদি ঘটনার ৩০ দিনের পরে কিন্তু ১ বছরের মধ্যে রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দেওয়া হয়, তা হলে জেলা রেজিস্ট্রার বা এ বিষয়ে নির্ধারিত আধিকারিকের লিখিত অনুমতি, ৫০ টাকা লেট ফি দিতে হবে। ১৪ নম্বর ফর্ম ও নিজের স্বাক্ষর সহ নথি জমা দেওয়ার পর সেই জন্ম বা মৃত্যুর নথি রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।
6) কোনও জন্ম বা মৃত্যুর তথ্য যদি ঘটনার ১ বছরের পরে কিন্তু ২ বছরের মধ্যে দেওয়া হয়, তা হলে ১০০ টাকা লেট ফি ধার্য করা হয়েছে।
7) ২ বছরের বেশি সময় লাগলে, সে ক্ষেত্রেও বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ও ১০০ টাকা লেট ফি দিতে হবে।
8) নথিতে সন্দেহজনক কোনও তথ্য থাকলে প্রয়োজনে সরেজমিনে তদন্ত হবে। উচ্চতর কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত প্রমাণও চাইতে পারবেন কর্তৃপক্ষ। যদি তথ্য মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বলে প্রমাণিত হয়, তা হলে কর্তৃপক্ষ লিখিত কারণ দেখিয়ে আবেদন বাতিল করতে পারবেন।
9) নন-ইনস্টিটিউশনার মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির মেডিক্যাল সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।|





